| Milk |
গরুর দুধ মুলত পুষ্টিকর একটি খাবার। সু- স্বাদু একটি পানীয় খাবার।
প্রিজারভেটিভ কোমল পানীয় খেয়ে শরীরে ক্যান্সার না বানিয়ে, গরুর খটি দুধ খান, এতে সাথে সাথে উপকার পাবেন।
কারন দুধ হচ্ছে সুপার ফুড।
অনেকেই দুধ খেতে নারাজ, দুধ খেতেই চাননা।
দুধ আপনাদের রোগমুক্ত রাখবে কারন দুধে আছে পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন -ডি ভিটামিন -১২, ভিটামিন এ, প্রোটিন, ফসফরাস এবং রিবোফ্লাভিন ও নিয়াসিন।
শরীরে ক্লান্তি দূর করে, পিরিয়ডের ব্যাথা কমায় এবং শরীরে স্ট্রেস কমায়।
বিশ্ব নবীজি (স:) দুধ পছন্দ করতেন।
দাঁত মজবুত করে :
দুধে প্রচুর ক্যালসিয়া ও ভিটামিন ডি থাকে, এজন্য দাত মজবুত থাকে, দাতের ক্ষয়রোধ করে, দাতে মরিচা
পড়েনা।
প্রতিদিন দুধ খান:
প্রতিদিন এক গ্লাস করে দুধ খেলে খাবারের চাহিদা কমে যায়, কারন খাবেন সবরকম পুস্টি দুধে নিহিত থাকে। যারা ডায়েট করেন তাদের নিয়মিত খেতে হবে। কারন ডায়েটে প্রচুর শক্তি খরচা হয়।
বাচ্চাদের এক বছর পর্যন্ত গরুর দুধ খাওয়ানো ঠিকনা, কারন দুধে এতো পরিমাণ পুষ্টি থাকে যা বাচ্চারা সহ্য করতে পারেনা তবে দুধের সাথে দ্বিগুণ পানি মিশিয়ে খাওয়ানো যায়।
তবে খেয়াল রাখতে হবে যে বাচ্চার এতে কষা হয়ে যেতে পারে।
গ্যাসটিকের সমস্যা ও আলসার দুর হয়:
নিয়মিত দুধ খেলে পেটে গ্যাস হয়না দুধে পেটে এসিডিটি কমায়, তাই পেট থাকে সুস্থ। এবং আলসার ধীরে
ধীরে ভালো হয়ে যায়।
ক্যালসিযাম পূরন করে :
ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড় ক্ষয় হয়। এবং শরীরে শক্তি পাওয়া যায় না, দুধ ক্যালসিমের ঘাটতি পূরন করে থাকে। এবং শরীরে শক্তি যোগায়।
চুলের খুসকি দূর করে:
শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব থাকলে চুলের ভিতর খুসকি জমে। নিয়মিত দুধ খেলে চুলের খুসকি দূর হয়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা:
দুধে সব ধরনের পুষ্টি গুন রয়েছে, যার কারনে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকে।
হরমোন বাড়ায়:
হরমোন বাড়াতে দুধের বিকল্প নাই। হরমোন বাড়াতে দুধের সাথে কোন কিছুর বিকল্প হয় না। দুধ শরীরে বিদ্যুৎতের গতিতে কাজ করে।
ঘুম ভালো হয়:
যাদের রাতে ঘুম হয়না তারা প্রতিদিন রাতে এক গ্লাস দুধ খান আর নিশ্চিন্তে ঘুমান
ত্বক মশৃন করে:
দুধে প্রচুর পরিমান ভিটামিন থাকার কারনে ত্বক মশৃন করে। এবং তারুণ্যতা ধরে রাখে।
দুধ নিয়ে মুসা আ: এর ঘটনা:
নবী মুসা আ: আল্লাহ কে প্রশ্ন করেছিলেন, আল্লাহ আপনি কিছু খান না, আপনার খাওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে যদি আপনি খেতেন তাহলে কি খেতেন? আল্লাহ বলেছেন যদি আমি খেতাম তাহলে দুধ খেতাম।
দুধের অপকারিতা:
কিডনিতে পাথর হলে:
অনেকের কিডনিতে পাথর হয়, এ সমস্যা যাদের আছে তারা দুধ এড়িয়ে চলুন, ভুলে ও দুধ খাবেননা খেলে কিডনির পাথর দ্রুত বৃদ্ধি পাবে এবং কিডনি ড্যামেজ হয়ে যাবে।
ল্যাকটোজের অভাব:
যাদের ল্যাকটোজের ঘাটতি আছে তারা দুধ খাবেননা।
এ্যালার্জি সমস্যা:
যাদের এ্যলার্জি জনিত সমস্যা আছে, তাদের দুধ না খাওয়া ভালো, সবাস নয় অনেকের দুধে এ্যলার্জি থাকে।
অপারেশনে দুধ:
যাদের কাটা ছেড়া বড় ধরনের অপারেশন আছে, তারা ভালো হওয়ার আগে দুধ না খাওয়া ভালো।
খালি পেটে দুধ খাবেন কিনা:
খালিপেটে দুধ না খাওয়া ভালো, ডাক্তাররা না খাওয়া জন্য বলেন।
কাচা দুধ:
কাচা দুধ না খাওয়া ভালো, কারন কাচা দুধে ব্যাকটেরিয়া থাকে।
হজম শক্তি:
দুধে হজম শক্তি ভালো থাকলেও, অতিরিক্ত দুধ খেলে হজমে সমস্যা হয়।
পরিশেষে, দুধ কি পরিমান খাবেন? দৈনিক ২-৩ কাপ দুধ খেতে পারেন। তবে অতিরিক্ত খাওয়া ভালোনা যেকোনো জিনিস নিয়ম মতো নাখে সমস্যা হতে পারে।
তাই জেনে শুনে বুঝে খাওয়া উচিত।
Read more: কালোজিরা রাতের শক্তি যোগায়
0 মন্তব্যসমূহ