 |
| Female name |
মেয়েদের ইসলামিক নাম:
❤❤❤ জাবির রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা আমার নাম অনুসারে নাম রাখো কিন্তু আমার উপনাম অনুসারে উপনাম রেখো না।
(বুখারী, মুসলিম, মিশকাত, হাদিস নাম্বার 4751 বাংলা মিশকাত, ৪৫৪৫)।
মেয়েদের নাম রাখার ব্যাপারে ভালো নামের প্রতি লক্ষ্য রাখা উচিত। যেন নামের অর্থ নাফরমান বা অপবিত্র এবং নিষ্পাপ ইত্যাদি না হয়।
❤❤❤ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম এক মেয়ের নাম জয়নব রেখেছিলেন(বুখারী, মুসলিম, মিশকাত, হাদিস নং ৪৭৫৬) জয়ননব অর্থ মোটা তাজা) তার আগের নাম ছিল বাররাহ অর্থ পূর্ণবতী।
নাম খুব সুন্দর অর্থপূর্ণ হওয়া ভালো। তবে নাম যেনো নিষ্পাপ না বুঝায়। বা খারাপ কিছু না বুঝায়।
❤❤❤ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম অন্য একটা মেয়ের নাম রেখেছিলেন, জামিলা অর্থ সুন্দর। মুসলিম, মিশকাত, হাদিস ৪৭ঐ৫৮। বাংলা মিশকাত, হাদিস ৪৭৫২।
জামিলা অর্থ সুন্দর তার আগের নাম ছিল আসিয়া অর্থ নাফরমান। উল্লেখ্য যে, ফেরাউনের স্ত্রীর নাম ছিল আছিয়া। রাশিয়া অর্থ খুঁটি। মুসলিম সমাজের সুবিধার্থে কিছু সুন্দর সুন্দর নাম এখানে উল্লেখ করা হলো।
(১) তাহসীন অর্থ সুন্দর (৩) তাসনীম অর্থ জান্নাতী ঝর্ণা (২) তাহেরা অর্থ পবিত্রা বা সতী (৪) তানজীম অর্থ সুবিন্যাস্ত
(৫)তামান্না অর্থ আকাঙ্খা (৬)তাফানুস অর্থ আনন্দ·(৭) তাহমিনা অর্থ মূল্যবান (৮) ওয়াজিহা সুন্দরী
(৯) ওয়াসীমা অর্থ সুন্দরী
(১০) যাহরা অর্থ সুন্দরী ফুল (১১) যাকিয়া অর্থ পবিত্রা (১২) যারীণ অর্থ সোনালী (১৩) যীনাত অর্থ সৌন্দর্য
(১৪) ফারহানা অর্থ চঞ্চলা প্রাণ (১৫) ফাহমীদা অর্থ বৃদ্ধিমতি (১৬) ফারিদা অর্থ অনুপমা (১৭) ফারিহা অর্থ সুখী
(১৮) ফারহাতা অর্থ আনন্দ (১৯) গালিবা অর্থ বিজয়ীনী (২০) হাফিযা অর্থ স্মরণশক্তি সম্পন্না
(২১) হাবীবা অর্থ প্রিয়া
(২২) হাসিনা অর্থ সুন্দরী (২৩) হামীদা অর্থ প্রশংসাকারিণী (২৪) হুমাইরা অর্থ রূপসী (২৫) জামীলা অর্থ সুন্দরী
(২৬) খালিদা অর্থ অমর (২৭) লাবীবা অর্থ জ্ঞানী (২৮) লুবনা অর্থ বৃক্ষ (২৯) লায়লা অর্থ শ্যামলা (৩০) মুমতায অর্থ মনোনীত
(৩১) মাইমুনা অর্থ ভাগ্যবতী/ডানপন্থী (৩২) মাহবূবা অর্থ পসন্দনীয়া (৩৩) মাহমূদা অর্থ প্রশংসিতা
(৩৪) মুরশীদা অর্থ পথ প্রদর্শিকা (৩৫) মাসউদা অর্থ সৌভাগ্যবতী (৩৬) মাজিদা অর্থ সম্মানিতা
(৩৭) মুনীরা অর্থ উজ্জল (৩৮) মুবাশশিরা অর্থ সুসংবাদ বহনকারিণী (৩৯) রুমালী অর্থ কবুতর
(৪০) রীমা অর্থ সাদা হরিণ (৪১) রুম্মান অর্থ ডালিম (৪২) সাবিহা অর্থ রূপসী (৪৩) ছাফিয়া অর্থ সাধনাকারিণী
(৪৪) সামিয়া অর্থ ছিয়াম পালনকারিণী (৪৫) শাহানা অর্থ রাজকুমারী (৪৬) শর্মিলা অর্থ লজ্জাবতী (৪৭) শাকিলা অর্থ রূপবতী
(৪৮) শাফি অর্থ সুপারিশকারিণী
(৪৯) শাকিরা অর্থ কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারিণী (৫০) সাজিদাহ অর্থ সিজদাকারিণী (৫১) সাইদা অর্থ নদী
(৫২) সাদিয়া অর্থ সৌভাগ্যবতী (৫৩) সাঈদা অর্থ পূণ্যবতী (৫৪) সালমা অর্থ প্রশান্তি
(৫৫) সামীহা অর্থ দানশীলা ৫৬) সানজিদা অর্থ বিবেচক
(৫৭) সুবা অর্থ প্রভাত (৫৮) ছুরাইয়া অর্থ নক্ষত্রমণ্ডল
(৫৯) শিরিণা অর্থ আনন্দদায়ক (৬০) শুহরাত অর্থ খ্যাতি (৬১) শাবানা অর্থ মধ্যরাত্রি
(৬২) শাহনাজ অর্থ রাজগর্ব (৬৩) আসিয়া অর্থ (৬৪) আকিলা অর্থ বুদ্ধিমতি
(৬৫) আয়েশা অর্থ সমৃদ্ধশীলা (৬৬) আমিনাহ অর্থ বিশ্বাসী
(৬৭) আযীযা অর্থ(৬৯) বিলকিস অর্থ সম্মানিতা (৬৮) আনিকা অর্থ রূপসী
(৭০) বুশরা অর্থ শুভ নিদর্শন (৭১) দীনা অর্থ বিশ্বাসী (৭২) দিলওয়ারা অর্থ সাহসিকতা
(৭৩) আনিসা অর্থ বন্ধু সুলভ (৭৪) আতিকা অর্থ সুন্দরী (৭৫) আফীফা অর্থ সাধবী
(৭৬) নার্গিস অর্থ (৭৭) তাসলীমা অর্থ সমর্পণকারিণী (৭৮) রহীমা অর্থ দয়াবতী
(৭৯) আসমা অর্থ (৮০) ফাহিমা অর্থ বুদ্ধিমতি (৮১) আরজু অর্থ আকঙ্খা
(৮২) মুয়াজ্জমা অর্থ মহতী (৮৩) মুসাররাত অর্থ আনন্দ
(৮৪) মুশতারী অর্থ একটি গ্রহের নাম (৮৫) নাবিলা অর্থ ভদ্র
(৮৬) নাফিসা অর্থ মূল্যবান (৮৭) নায়েলা অর্থ আহ্বানকারিণী
(৮৮) নাজিবা অর্থ সম্ভ্রান্ত গোত্র (৮৯) নাদিরা অর্থ বিরল (৯০) নাসিফা অর্থ পবিত্রা
(৯১) নীলুফা অর্থ পদ্ম (৯২) নুছরাত অর্থ সাহায্য (৯৩) নুজহাত অর্থ প্রফুল্ল
(৯৪) পারভীন অর্থ দিপ্তিময় তারা (৯৫) রাফিয়া অর্থ উন্নত (৯৬) রাহিলা অর্থ প্রস্থান
(৯৭) রবী'আ অর্থ চতুর্থাংশ (৯৮) রাযিয়া অর্থ সন্তুষ্টি (৯৯) রাশিদা অর্থ বিদষী
(১০০) রওশনা অর্থ উজ্জল (১০১) মুতাহারা অর্থ পরিশোধিত
(১০২) রওশনা অর্থ উজ্জল (১০৩) মুসাহিবা অর্থ সঙ্গিনী
(১০৪) যয়নব অর্থ মোটাতাজা (১০৫) মাহিদা অর্থ তাপসী
(১০৬) রেহেনা অর্থ (১০৭) রাফিয়া অর্থ উঁচু (১০৮) রুকাইয়া অর্থ উন্নতি
১০৯) ফাতিমা অর্থ সদ্য দুধ পরিত্যাগকারীর মা
১১০) মারিয়াম অর্থ ইবাদতকারীনি
১১১) মনোয়ারা অর্থ উজ্জ্বল
১১২) রায়হানা অর্থ উত্তম স্ত্রীলোক
১১৩) ফিরোজা
১১৪) লতিফা অর্থ নম্র।
❤❤❤ হাসান বাছরী সামুরা ইবনে জুনদুব রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, শিশু আকীদার সাথে আবদ্ধ থাকে।
জন্মের সপ্তম দিনে তার পক্ষ থেকে পশু জবেহ করা হবে। তার নাম রাখা হবে এবং তার মাথা কামানো হবে।
আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিজি, মিশকাত, হাদিস ৪১৫৩ বাংলা মিশকাত, হাদিস ৩৯৭৪।
এই হাদিসের যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। সপ্তম দিনে নাম রাখার কথা বলা হয়েছে।
0 মন্তব্যসমূহ