![]() |
| Mango |
কোন ফলে কি উপকার এবং ক্ষতি রয়েছে:
এখন ফলের মৌসুম চলছে। অনেকে ফল খেতে ভালোবাসেন। আবার অনেকের ফল অনেক পছন্দ।
তবে কোন ফলে কি উপকার এবং কোন ফলে কি ক্ষতি রয়েছে,
তা এখন জানব:
বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন ফল:
আম: বাংলাদেশে এপ্রিল মাস থেকেই কাঁচা আম পাওয়া যায়। তবে পাকা আম পাওয়া যায় তারও একমাস পরে। সাদ, পুষ্টিগুণ, ঘ্রানের জনপ্রিয় একটি আম। বাংলাদেশের কৃষি সার্ভিস এর তথ্য মতে, সোডিয়াম ও আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে আম।
# আম রক্ত ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
# ডায়াবেটিসের ঔষধ হিসেবে কাজ করে।
# আম আম ক্যান্সারের কোষগুলো ধ্বংস করে দেয়।
# আমি আছে উচ্চমানের প্রোটিন যা জীবাণু থেকে দেহকে রক্ষা করে।
# এছাড়াও আমি আছে ভিটামিন এ যা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
চোখের চারপাশের শুষ্কতা দূর করে। পাকা আম কাঁচা আমের চেয়ে শর্করার পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। কাঁচা আম চোখের শক্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
পুষ্টিবিদরা বলেন, পাকা আমের গ্লুকোজ বেশি থাকে তাই অল্প খেলেই ডায়াবেটিসের রোগীদের সমস্যা হতে পারে। তবে কাঁচা আম খেলে ডায়াবেটিস রোগীদের কোন সমস্যা হয় না। স্টোকের রোগী ও নিউরোলজিক্যাল সমস্যা থাকলে তাদের জন্য কাঁচা আমে অনেক উপকার রয়েছে।
কাঁঠাল:
পুষ্টিবিদরা বলেন, আমাদের দেশের কাঁঠাল গরিবদের জন্য আমি হিসেবে পরিচিত। কাঁচা বা পাকা যে কোনভাবেই খেতে পারেন এই কাঁঠাল। কাঁঠালের প্রতিটি অংশ খাদ্য হিসেবে খাওয়া যায়।
কাঁঠালের শর্করার পরিমাণ অনেক বেশি তাই এনার্জি লেভেলটাকে ভালো রাখে।
কাঁঠালে আছে, ১) থায়াবিন ২) রিবোফ্লালাবিন ৩) ক্যালসিয়াম ৪) পটাশিয়াম ৫) আয়রন ৬) সোডিয়াম ৭) জিংক ৮) নয়াসিন এছাড়াও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান।
কাঁচা কাঁঠালে ফাইবার অনেক বেশি থাকে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কাঁচা কাঁঠাল অনেক উপকারী। তবে কাচা হোক বা পাকা হোক এতে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। কারণ কাঁঠালের শর্করা অনেক বেশি থাকে।
পুষ্টিবিদরা বলেন, ভাত কম খেয়ে কাঁঠাল বেশি খাবেন, তাহলে উপকার হবে। নয়তো অনেক ক্ষতি হতে পারে, কাঁঠাল কিন্তু অনেকের হজম শক্তি বাড়ায়। তবে কারো কারো ক্ষতি হতে পারে যেমন, পেট ফুলে যাওয়া হজমের সমস্যা হওয়া।
লিচু:
লিচু খেলে শক্তি বাড়ে এতে আছে শর্করা আমিষ, ক্যালসিয়াম, লৌহ, ভিটামিন সি লিচুতে টিউমার রোধে অনেক উপকারী।
কিন্তু পুষ্টিবিদরা বলেন, লিচু কম খাওয়া ভালো। বেশি খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে এছাড়া খালি পেটে লিচু খাওয়া উচিত না।
ইন্টারন্যাশনাল লেন্স সিটির একটি প্রতিবেদনের তথ্য,
লিচুতে হাইপোগ্লাইসিন নামক একটি রাসায়নিক আছে, যা শরীরের শর্করা তৈরি করে না।
তাই বাচ্চারা খালি পেটে লিচু খেলে, পেটে বদহজম হতে পারে এমনকি, মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে।
জাম:
জামদেহের হাড় মজবুত করে। জাম স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। ডিটক্সিফাই হিসেবে কাজ করে এবং ত্বক মসৃণ করে।
গবেষকরা বলেন, জামের নির্যাস ক্যান্সার সৃষ্টিকারী furitical এর কাজে বিকিরনে বাধা দেয়। অরুচি ও বমি নিরাময় করে। জান খুব মজাদার একটি ফল।
জামের সিজনে এই ফল খাওয়া ভালো তবে, ২৫০ মিলি কাপ জাম খাওয়া যেতে পারে। কম পাকা জাম খেলে পেটে এসিডিটি হতে পারে। এছাড়া জাম খাওয়ার পর দুধ খাওয়া ঠিক নয় কারণ বদহজম হতে পারে।
পেয়ারা:
বাংলাদেশের সারা বছর পেয়ারা পাওয়া যায় তবে কাজী পেয়ারার চেয়ে দেশি পেয়ারার পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। বেশির ভাগ মানুষের জন্য পেয়ারা খাওয়া ভালো। তবে পেয়ারায় কোষ্ঠকাঠিন্য তৈরি হতে পারে।
তরমুজ:
তরমুজে আছে প্রচুর এন্টিঅক্সিডেন্ট এতে স্টেজ কমায় এ ছাড়া প্রোস্টেট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। তরমুজে অনেক পানি থাকে তাই কিডনি রোগীরা এ ফল খাবেন না।
এবং পানি আছে বলে বারবার তরমুজ খেলে ক্ষতি হতে পারে যেমন বদহজম বা এসিডিটি হতে পারে।
আমড়া:
বেল, লটকন, জামরুল এজাতীয় সব ধরনের ফল বাজারে পাওয়া যায়। এগুলো অনেক উপকারী ফল। পুষ্টিবিদরা বলেন, ফল খাওয়া ভালো, তবে বেশি খাওয়া যাবে না। শরীরের অবস্থা বুঝে খাবেন। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন।
Read more for: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খেজুরের ভুমিকা

0 মন্তব্যসমূহ