![]() |
| ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও হাঁপানি ১০০% নির্মূল হবে |
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও হাঁপানি ১০০% নির্মূল হবে:
চারটি রোগ ১০০% নির্মূল হবে। আপনি হয়তো ভাবছেন এসব ভুয়া। কিন্তু না। আমরা যে নিয়মগুলো বলবো তা সঠিকভাবে মানতে হবে তাহলে অবশ্যই ভালো হবে।
এমনকি, আর কোনো ঔষধ খেতে হবে না। যদি ভালো না হয়, তাহলে হোমপেজে ইমেইল নাম্বার দেওয়া আছে জানাবেন। এমনকি, শুধু চারটি রোগ নয় আরো অনেক রোগ ভালো হবে।
সেই রোগের কথা বলবো না, শুধু বলবো, আপনার শরীরে কোন রোগ থাকবে না। তাহলে জানা যাক কি করতে হবে।
প্রথমে আপনাকে সয়াবিন তৈল এবং সয়াবিন তেল দ্বারা যত প্রকার খাবার তৈরি করা হয়, সবগুলো বাদ দিতে হবে। এরপর চিনি এবং চিনি দ্বারা যত প্রকার খাবার তৈরি করা হয়, সবগুলোই বর্জন করতে হবে।
এরপর আছে আটা এবং আটা দ্বারা যত প্রকার খাবার তৈরি করা হয় সবগুলোই পরিহার করতে হবে।
আপনি যদি সারা জীবন সুস্থ থাকতে চান, তাহলে এই তিনটা জিনিস কোনদিন খাওয়া যাবে না।
এরপর আপনার মূল কাজ শুরু হবে। আপনার প্রথম এক সপ্তাহ পর্যন্ত তিন বেলা শাকসবজি খেতে হবে।
ভাত ষবা অন্য কিছু খাওয়া যাবে না। যেগুলো খাবেন সেগুলো বলে দিচ্ছি। যত সবুজ শাকসবজি আছে যেমন, লাউ, কুমার, করলা, সিম, ফুলকপি, শালগম, ঝিঙ্গা, শসা, বরবটি, রেহা, কাকরোল, পেঁপে,গাজর, পটল, পুঁই শাখ, লাউ শাক, কুমার শাক, কাচ কলা, পেঁপে, এ জাতীয় শাকসবজি গুলো খাঁটি ঘি দিয়ে রান্না করে খেতে হবে, ভাত খাওয়া যাবেনা।
এবং প্রতিদিন একটা করে ডাব নারকেল খেতে হবে। সাথে মাছ মাংস খেলে ভালো হয়। তবে ঘি দিয়ে রান্না করতে হবে। কোন ফলমূল খাওয়া যাবে না।
এবং প্রতিদিন দুইটা করে ডিম, নারকেল তৈলে ভেজে খেতে হবে। তবে ঘি দ্বারা ভেজে খেলেও হবে। এরকম যখন এক সপ্তাহ খাবেন, তখন দেখবেন আস্তে আস্তে আপনার ক্ষুধা কমে আসছে।
যখন ক্ষুদা কমে আসবে, তখন দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আপনি সারাদিন রোজা রাখবেন। সকালে শুধু ডিম খাবেন, ঘি দ্বারা ভেজে যা পারেন খাবেন। বিকেলে আবার সেই শাক সবজি রান্না খাবেন।
এবং মাছ মাংস খাবেন ।এবং প্রতিদিন একটা করে ডাব নারকেল খেতে হবে। এই দুই সপ্তাহ যাবত আপনাকে রিলাক্স থাকতে হবে।
কোন কঠিন পরিশ্রম করা যাবে না। রোজা রেখে আপনাকে সকালে এবং বিকালে শরীর চর্চা করতে হবে বা ব্যায়াম করতে হবে, ১ ঘন্টা করে এই শরীর চর্চা প্রথম থেকেই শুরু করতে হবে।
যদি মনে করেন, এক ঘন্টা পারিনা কষ্ট হয়, তাহলে যতক্ষণ পারবেন ততক্ষণ করেন। পাশাপাশি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে হবে।
যদি পারেন মেডিটেশন করবেন। এর পাশাপাশি ডায়াবেটিসা, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ তিনবেলা মাপতে হবে।
এবং খাতায় লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে তাহলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কতটা ভালো হয়ে গেছেন। এরপর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আস্তে আস্তে ঔষধ ছাড়তে হবে। হঠাৎ ঔষধ ছেড়ে দেওয়া যাবে না।
তবে যে কোন নিয়মগুলো বললাম তা 100% মানতে হবে। মানলে ভালো হবে না। এবং এই দুই সপ্তাহ পরেও চিনি, আটা, সয়াবিন তেল একেবারেই খাওয়া যাবেনা।
এমনকি এর দ্বারা তৈরি যাবতীয় খাবার পরিহার করতে হবে। তাহলে আপনি সুস্থ থাকতে পারবেন। নতুবা আবার অসুস্থ হয়ে পড়বেন।
এই দুই সপ্তাহ যে খাবারগুলো খেয়েছেন, তা সব সময় বেশি করে খাবেন। ভাত কম খাবেন। এবং রাত জাগা যাবে না। নিয়মিত দৈনিক আট ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। এবং সাধারণ লবণ পরিহার করতে হবে। হিমালয়ান পিং সল্ট খেলে ভালো হয়।
আপনার কিডনি যদি ভালো রাখতে চান এবং যদি নষ্ট করতে না চান। তাহলে দ্রুত এই ডায়েটগুলো মানতে হবে। এবং অর্গানিক খাবার খেতে হবে। ফাস্ট ফুড প্রসেস ফুড খাওয়া যাবে না।
চা বাদ দিতে হবে তবে গ্রিন টি খেতে পারেন। আর যদি আপনি ধুমপাই হোন তাহলে সর্বপ্রথম ডায়েট করার আগে ধূমপান ছাড়তে হবে। পান, সুপারি, তামাক খাওয়া যাবেনা।
আর যদি ধূমপান বা পানের নেশা না ছাড়তে পারেন। তাহলে এই ডায়েট গুলো আপনার জন্য না।
কারণ ডায়েট করে কোন লাভ হবে না। শুধু তাই নয়, দোকানের যত পানিয় আছে, কোনভাবেই এসব খাওয়া যাবে না। এসব কোমল পানীয় পরিহার করতে হবে। এবং লবণ যতটুকু দরকার ততটুকু খাবেন।
কারণ লবণ শরীরে পানি জমা করে রাখে। রাসায়নিক সার ব্যবহার করে যে খাবার উৎপাদন হয়, সেগুলো বর্জন করতে হবে।
আপনি এই ফর্মুলা গুলো মানবেন, ইনশাল্লাহ আপনার শরীরে কোন রোগ থাকবে না।

0 মন্তব্যসমূহ