জাপানিরা কিভাবে শত বছর বেঁচে থাকে 2024
জাপানিরা কিভাবে শত বছর বেঁচে থাকে

জাপানিরা কিভাবে 100 বছর বেঁচে থাকে
সারা বিশ্বের মধ্যে জাপানিরা শত বছর বেঁচে থাকে, জাপানের লাগানো অঞ্চলের মানুষ। একটা সময় ছিল যখন লাগানো অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি স্ট্রোক করত। 

গড় আয়ু তখন তাদের সবচেয়ে কম ছিল, আর এখন বর্তমানে তাদের গড় আয়ু সবচেয়ে বেশি।
নাগানোতে বছরের বেশিরভাগই শীত থাকে এবং তুষারে ঢাকা থাকে বছরে দুই মাস। 

এই লাগানো অঞ্চলে পাহাড়-পর্বত বেশি। গ্রীষ্মকালে যে শাকসবজি হয় তা সংরক্ষণ করে রাখে সারা বছর খায়।

তবে বিভিন্নভাবে তারা তা সংরক্ষণ করে রাখে। এর মধ্যে একটি হলো ফলমূল তারা আচার বানিয়ে সংরক্ষণ করে রাখে। শীতকালে যখন তারা গোল হয়ে বসে গল্প করে, তখন এক পট আচার বের করে খেতে খেতে গল্প করে। 

এবং তারা তিনবেলা খাবারের সাথে সুপ খায়। এবং এতে লবণ অনেক বেশি থাকে। তবে আমাদের জানামতে লবণ বেশি খেলে ব্লাড প্রেসার বেড়ে যায়। এবং মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

আর এ কারণেই তাদের স্ট্রোক বেশি হত। যখন তারা এটা বুঝতে পারলো, তখন তারা পুরো দেশ সচেতনতার সাথে ক্যাম্পেইন শুরু করল। 

এর থেকে বাঁচতে একটা স্লোগান দিতে শুরু করলো। স্লোগানটি হলো "পিন পিন কলোরি" পিন পিন অর্থ হাসিখুশি এবং সতেজ ভাবে  বেঁচে থাকবে। কলরি অর্থ হল খুব দ্রুত, এবং ব্যথা ছাড়া তাদের মৃত্যু হবে। কোন কষ্ট হবে না।

ধুকে ধুকে মরবেনা। স্টক কম হওয়ার জন্য আরেকটি উপায় বের করল, সেটা হল সবাইর হাঁটাচলা করতে হবে শীতলা গরম সব সময়। শীতে অনেকেই হাঁটতে চায় না। 

তাই তারা হাঁটার জন্য বিভিন্ন রাস্তা বের করল। রাস্তাগুলোতে অনেক সুন্দর সুন্দর সাজে সজ্জিত করল।

কারণ এই সুন্দর দৃশ্যগুলো হাঁটতে হাঁটতে দেখবে। আর মনেই হবে না যে তারা পাঁচ কিলোমিটার হাটছে বা অনেক বেশি হেঁটে ফেলেছে। 

হাঁটার জন্যই একশত এর বেশি হাঁটার রাস্তা বানালো এবং সুফ এ যে অনেক লবণ খেত এই সুফের লবণ কিভাবে কমানো যায় এর উপর কাজ করতে লাগলো। 

এবং প্রত্যেক ফ্যামিলিতে ভলান্টিয়ার বানালো অর্থাৎ একজনকে ভালো করে শিখালো, যে কিভাবে তাদের গড়ে তুলবে অর্থাৎ লবণ কিভাবে কম খাওয়া যায় সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবে।

তরকারি কিভাবে লবণ ছাড়া রান্না করলে মজাদার হবে। আরেকটা ফর্মুলা হলো সেখানে যারা চাকরি করে তারা একটা সময় রিটায়ার্ড হয় তারপরে তারা আরাম আয়সে বেঁচে থাকে, কাজ কম করে। 

তাই তাদেরকে বলা হলো আপনারা রিটায়ার্ড দেরিতে নিন।

এবং রিটায়েডের পরে বিভিন্ন খামার করে দিলো। বিভিন্ন কাজের ব্যবস্থা করে, কাজে লাগিয়ে দিলো। মূলত এতে শরীর ভালো থাকে, কাজের উপর থাকলে। 

এছাড়া তারা কঠিন পরিশ্রম করতে শুরু করল। এভাবে তারা গড় আয়ু বাড়ালো।