![]() |
| হলুদ ব্যবহারের নিয়ম |
হলুদ ব্যবহারের নিয়ম:
হলুদ আমরা রান্নায় নিয়মিত ব্যবহার করে থাকি।
হলুদ বহু শতাব্দী ধরে ঐতিহ্যবাহী ওষুধের একটি প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহার করে আসছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি।
বারকিউমিন সক্রিয় যৌগ গুলির মধ্যে একটি।
এন্টি ইনফ্লামেন্টরি এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট এর বৈশিষ্ট্য এই মসলাকে স্বাস্থ্যকর খাবারের একটি অপরিহার্য অংশ করে রাখে।
অতিরিক্ত হলুদ খাওয়া ঠিক নয়, তাহলে কিছু প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক।
বারকিউমিন হলুদের প্রধান উপাদান। এটি স্বাস্থ্যকর সম্পূরক এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট স্ট্রেস এবং পর্দাহের বিরুদ্ধে কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে। হলুদ বিভিন্ন অস্বাস্থ্যকর সমস্যাগুলোকে সমাধান করে থাকে।
ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি করে হলুদে। হলুদে আরো চর্বি কমায়। অক্সিডেটিভ, প্র্দাহ,
স্ট্রেস, কমিয়ে স্থূলত্বের মত স্বাস্থ্য সমস্যা গুলো দূর করে, ইনসুলিন প্রতিরোধ করে।
স্থায়ী জয়েন্টের বা অস্টিওঅর্থাইটিস ব্যাথার বিরুদ্ধে হলুদ কাজ করে।
হলুদে থাকা বারকিউমিন ব্যথা উপশম করে, জয়েন্টের উন্নতি করে। আপনি সুস্থ থাকার জন্য হলুদ একটি মূল্যবান সংযোজন।
প্রতিদিন কতটুকু হলুদ খাওয়া যায়:
বারকিউমিন থাকার কারণে ডাক্তাররা পরামর্শ দিয়ে থাকেন প্রতিদিন খাবারে হলুদ রাখার জন্য। জন অফ কিংস মেডিসিন অনুযায়ী প্রতিদিন প্রায় 500 মিলিগ্রাম হলুদ খাওয়া যেতে পারে।
অতিরিক্ত হলুদ খাওয়া যাবেনা কেন:
হলুদ এবং বারকিউমিন নিরাপদ হলেও তবে এর কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও রয়েছে এবং সে সম্পর্কে জানা দরকার। অতিরিক্ত মাত্রায় হলুদ খাওয়া হলে পরিপূরক হিসেবে নেওয়া হয় না।
তাহলে অপকারিতা গুলো কি:
১) পেটে ব্যথা: বার কি উন্নয়ন বা হলুদ অতিরিক্ত খেলে পেটে এসিডিটি, রিফ্লাক্স, ডায়রিয়া সহ অস্বস্তি হতে পারে শরীরে।
২) প্রচন্ড মাথা ব্যাথা: ৪৫০ মিলিগ্রাম বারকিউমিন বাহ হলুদের বেশি খেলে প্রচন্ড মাথা ব্যথা হতে পারে, বা মাথা ঘোরাতে পারে।
৩) পিত্তথলির পাথর: অতিরিক্ত হলুদ খেলে পিত্তথলিতে পাথরও হতে পারে।
৪) বুকের দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে: বাচ্চাদেরকে দুধ খাওয়ান এমন নারীদের হলুদ বা হলুদের সাপ্লিমেন্ট এড়ানো উচিত কারণ, জরায়ু সংকোচনকে এটি বৃদ্ধি করতে পারে ফলে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।
ত্বক:
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে হলুদ খেতে পারেন নিয়মিত। এছাড়া হলুদ এবং চিনি মিশিয়ে ত্বকে মালিশ করলে ত্বকের কালো দাগ দূর হয়।
ব্রণ সমস্যা:
হলুদ এবং লেবু অথবা হলুদ এবং চিনি অল্প করে মিশিয়ে মালিশ করলে মুখের ব্রণ দূর হয় এবং ব্রণের দাগও দূর হয়।

0 মন্তব্যসমূহ