সময়কে কাজে লাগান: 2024
সময়কে কাজে লাগান


সময়কে কাজে লাগান: 
সময় কে কাজে লাগাতে পারেন বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিদিন আপনাদের সবার জন্য, প্রতিটি ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ড সমান ভাবে বরাদ্দ রয়েছে। 

ঘন্টা মিনিট বা সময়কে আপনি জমা করে রাখতে পারবেন না, কারণ সময় প্রবহমান সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সময় পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান বিষয়। সময় কারো কাছে বিক্রি করতে পারবেন না।

বা ধার দিতেও পারবেন না। এমনকি আপনিও কিনতে পারবেন না। বা ধার দিতেও পারবেন না। তবে আপনি যেটা করতে পারবেন সময়কে কাজে লাগাতে পারবেন। সময়কে সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবেন।

টাকা পয়সা আর সময়ের মূল্য এক নয়। আমরা সবাই যেকোনো কাজের শেষের প্রায়ই বলে থাকি আর একটু সময় পেলে কাজটা সুন্দর হতো। 

অনেক কাজেই সময়ের অভাবে ঠিকমতো করা হয় না। বন্ধুবান্ধব বা পরিবার নিয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠা যায় না শুধু সময়ের অভাবেই। নিজেকে নিয়ে একটু নিমগ্ন থাকব তাও হয়ে ওঠে না। 

আমাদের সবার মাঝেই সময়ের হাহাকার রয়েছে। তবে তরুণ প্রজন্মের একটু বেশি। সময়ের উপর নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

সময় চলে গেলে তা কখনোই ফেরত পাওয়া যায় না। প্রতিমুহূর্তে শত শত কাজ করা যায় তবে আপনার কোন কাজটি করা বেশি প্রয়োজন সেটা নির্ণয় করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুরুতেই জমা কাজগুলো দু'ভাগে ভাগ করুন।

একটি জরুরী এবং অন্যটি গুরুত্বপূর্ণ। তবে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে সময় পার করে দেই। গুরুত্বপূর্ণ কাজ গুলো রয়ে যায়। তাই যেটা করতে চান শুরু করে দিন পরে জরুরি কাজগুলো করুন দেখবেন কাজগুলো সঠিকভাবে করতে পারলে মনে শান্তি পাবে না। 

সংখ্যার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার ঠিক করা: 
আপনি যা করতে চান তার একটি তালিকা তৈরি করতে পারেন। এটি এক থেকে ১৫ পর্যন্ত নাম্বার দিন। প্রথম কাজ সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ এবং ১৫ নম্বর কাজ সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ। 

তালিকা তৈরি করার কারণ হচ্ছে আমরা সুপারম্যান নই বা জাদুকর নই, কারণ সুপারম্যান কল্পনা করা, আর তা বাস্তব করা এ দুটি ভিন্ন জগৎ। যেগুলো একদমই গুরুত্বহীন কাজ তা পরিহার করুন। 

কারণ আপনি মনে করেন গোল্ডেন এ প্লাস পেতে চান, অথচ আপনি যদি বই না পড়ে মোবাইলে বা গেমস খেলে বা  বাজে কাজে সময় নষ্ট করেন তাহলে আপনি এ প্লাস পাওয়ার স্বপ্ন বাস্তব হবে না। 

আমাদের যথেষ্ট সময় রয়েছে আমাদের যে সময় নেই তা কিন্তু নয়। আমাদের সময় আছে আমরা সময়ের মূল্য দেইনা। 

সময় নষ্ট করি বাজে কাজে বা অপচয় করে। সময় নষ্ট না করে ওই সময়গুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজটা যোগ করলেই সময় বেঁচে যায়। আমরা অনেক দেখেছি ধরুন, পড়তে বসার আগে প্রস্তুতি নেওয়া যেমন একটু চা খাওয়া রেস্ট নেওয়া ফেসবুক দেখা ইত্যাদি।

দীর্ঘস্থায়ই লক্ষ্যের জন্য সময় বাঁচানো: 
দৈনিক জরুরী কাজগুলো করে সময় নষ্ট করি কিন্তু দীর্ঘস্থায় লক্ষ্য অর্জনের সময় থাকে না। দীর্ঘস্থায় লক্ষ্য অর্জনের জন্য দৈনিক একবার দুই ঘণ্টা সময় বাঁচাতে হবে তাহলে তাতে দেখবেন সঠিক সময়ে এসে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছেছেন। 

আমরা আধুনিক যুগে এসে সময়কে মূল্য দেই তা কিন্তু নয়। গত হয়ে যাওয়া মানুষগুলো সময়ের মূল্য না দিলে, আজ বড় বড় আবিষ্কার দেখতে পারতাম না এছাড়াও কোরআনের সূরা আর রহমানের আয়াত নাম্বার তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন। নেয়ামতকে অস্বীকার করবে। 

অতএ ব নিজের অজান্তেই সৃষ্টিকর্তার দান ও মহিমাকে অবহেলা করা বা অস্বীকার করার সমান।

তাহলে দশ বছর পর নিজেকে কি অবস্থায় দেখতে চান, সেটা এখনই নকশা করুন এবং সেভাবেই কাজ করুন।